আলোচ্য হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে অসংগতি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৫২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৯১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৪৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৯১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ২৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৯৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৬১ পয়সায়।
১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আল-হাজ টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৪৯। এর ৩০ দশমিক ৬৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪ দশমিক শূন্য ৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৫ দশমিক ২৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ১৩২ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১১৫ টাকা ১০ থেকে ১৮৭ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।